নিজের প্যাডে এক পাতা
যে প্যাডে এখন হাতে লেখেন, সেই PDF বা ছবি বসান। মাপ A4, A5 বা প্যাড। চার দিকের ফাঁকা মিলিমিটারে ঠিক করা যায়।
বাংলাদেশের মেডিকেল সফটওয়্যার প্রোভাইডার
প্রেসক্রিপশন লিখে নিজের প্যাডে ছাপুন, তারপর রোগীর হোয়াটস্যাপ বা মেইলে JPG বা PDF পাঠান। আজ যা লেখেন, পরের দিন সেটাই সাজেশন।
সফটওয়্যারের নিজের মনে রাখার ক্ষমতা আছে। প্রতিদিনের সেভ করা প্রেসক্রিপশন থেকে অভিযোগ, ইতিহাস, রোগ, টেস্ট, পরামর্শ ও বারবার লেখা ঔষধ শেখে। রোগ ধরে না। ক্লিক না করলে প্যাডে কিছু বসে না। বাংলা বা ইংরেজি, যে ভাষায় চেম্বার চলে।
কাস্টমার ও পার্টনার
এটা নমুনা লোগো। কোনো আসল চেম্বার বা পার্টনারের লোগো নয়।
softhubd একটি মেডিকেল সফটওয়্যার প্রোভাইডার। ডাক্তার নিজে লেখেন। সফটওয়্যার মনে রাখে, নিজের প্যাডে ছাপে, আর রোগীর হোয়াটস্যাপ বা মেইলে পাঠায়। রোগ ধরে না। ক্লিক না করলে প্যাডে কিছু বসে না।
যে প্যাডে এখন হাতে লেখেন, সেই PDF বা ছবি বসান। মাপ A4, A5 বা প্যাড। চার দিকের ফাঁকা মিলিমিটারে ঠিক করা যায়।
অভিযোগ, ইতিহাস, রোগ, টেস্ট, পরামর্শ আর বারবার লেখা ঔষধ মনে থাকে। ফিল্ড খুললে নিজের লাইন দেখায়। দুই অক্ষর লিখলে মিল আসে। ক্লিক করলে তবে প্যাডে বসে।
রোগীর মোবাইল বা ইমেইলে প্রেসক্রিপশন JPG বা PDF। ফোনে শেয়ার শিট থেকে ফাইল যুক্ত হয়। কম্পিউটারে ফাইল ডাউনলোড হয়, তারপর চ্যাট বা মেইলে যুক্ত করেন।
PNG বা JPEG, লোগোর মতো। স্বচ্ছ সিল স্বচ্ছ থাকে। মিলিমিটারে জায়গা দিন, অথবা প্রিভিউতে টেনে বসান।
৭২.৪৯K সারি। সার্চে নাম, গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম। ছাপায় এগুলো বন্ধ থাকে, চাইলে চেম্বারে চালু। জ্বর ১০০ বা তার বেশি হলে শুধু Paracetamol খোঁজার সাজেশন। ঔষধ নিজে যোগ হয় না।
আজ, সপ্তাহ, মাস ও বছর। নতুন রোগী ও পুরোনো রোগী আলাদা। কোন ঔষধ, কোম্পানি ও টেস্ট বেশি লেখা হয়েছে। বেসিকে ২টি, স্ট্যান্ডার্ডে ৫টি, প্রিমিয়ামে ১০টি চেম্বার। মাসিক প্যাকে একজন ডাক্তার।
লগইনের পর আলাদা মেনু খুলতে হয় না। রোগী খোলা, লেখা, ঔষধ বসানো ও ছাপা — এই চার ধাপেই একটা ভিজিট শেষ।
নাম, বয়স, লিঙ্গ, ওজন, তারিখ ও ঠিকানা লিখুন। আগে এসে থাকলে নাম, মোবাইল বা আইডি দিয়ে সেই ভিজিট খুলুন। জুনিয়র চাইলে হিস্ট্রি আগে রাখতে পারেন।
অভিযোগ, ইতিহাস, পরীক্ষা, ভাইটাল, রোগ, টেস্ট, পরামর্শ ও ফলোআপ। নিজের লেখা লাইন পরে সাজেশনে আসে। টেমপ্লেট রাখা, খোলা বা মুছে ফেলা যায়।
নাম, গ্রুপ, কোম্পানি বা সাপ্লাই লিখে খুঁজুন। ডোজ দিন সকাল–রাত, কয়েক ঘণ্টা পর পর, দিনে কতবার, অথবা শিরায় মিনিটে কত ফোঁটা।
নিজের প্যাডে এক পাতা প্রিন্ট করুন, অথবা রোগীর হোয়াটস্যাপ ও মেইলে JPG বা PDF পাঠান।
রোগী, ঔষধ, টেস্ট ও পরামর্শ লগইনের পর একই পাতায়। ভিজিটের মাঝে আলাদা স্ক্রিনে যেতে হয় না।
সকাল–দুপুর–রাত, কয়েক ঘণ্টা পর পর, দিনে বারবার, বা শিরায় ফোঁটা। বাংলিশ লিখলে বাংলা হয়ে যায়।
যে প্যাডে এখন হাতে লেখেন, সেই PDF বা ছবি বসিয়ে মার্জিন ঠিক করুন। প্রতি চেম্বারের প্যাড আলাদা।
সেভ করলে আইডি হয়, যেমন 0042। পরে নাম, মোবাইল বা আইডি দিয়ে খুলে আবার লেখা যায়।
মেডিসিন, সার্জারি, চোখ, চর্ম, হৃদরোগ বা অন্য যেকোনো চেম্বার। ঔষধ ও সাপ্লাই খোঁজা যায়। না থাকলে নাম লিখে প্যাডে বসান।
আজ, সপ্তাহ, মাস ও বছর। নতুন রোগী ও পুরোনো রোগী আলাদা। কোন ঔষধ, কোন কোম্পানি ও কোন টেস্ট বেশি লেখা হয়েছে, তা এক নজরে।
নিচে শুধু সেই কাজ, যা সফটওয়্যারে এখন করা যায়। নাম শুনে এমন কিছু বলা হয়নি, যা এখনো নেই।
প্রতি ভিজিটে একটি আইডি। মোবাইল রাখা হয় খোঁজার জন্য, ছাপানো পাতায় নম্বর যায় না।
যে লাইনগুলো প্রায় প্রতিদিন লেখেন, সেগুলো সাজেশন ও টেমপ্লেটে থাকে।
ক্যাটালগে প্রায় ৭২ হাজার সারি। দাম সার্চে দেখা যায়, প্যাডে চাইলে তবেই।
চেম্বারের সংখ্যা প্যাকেজ ধরে। ঢাকার সময় ধরে দিন, সপ্তাহ, মাস ও বছরের হিসাব।
শুধু কয়েকটা বিশেষত্বের জন্য নয়। মেডিসিন, সার্জারি, শিশু, গাইনি, চোখ, নাক-কান-গলা, চর্ম, হৃদরোগ, কিডনি, মানসিক, হাড়, বা অন্য যেকোনো চেম্বার। প্রেসক্রিপশন লেখা, নিজের প্যাডে ছাপা, আর হোয়াটস্যাপ বা মেইলে পাঠানো একইভাবে হয়।
চেম্বার যে বিষয়েরই হোক, লেখার পাতা এক। অভিযোগ, ইতিহাস, রোগ, টেস্ট, পরামর্শ ও ঔষধ নিজের মতো লিখুন।
ক্যাটালগে প্রায় ৭২ হাজার সারি। আপনার বিষয়ের নাম না থাকলে লিখে প্যাডে বসান। সেটি থেকে যায়, পরে আবার মেলে।
প্রতি চেম্বারের প্যাড আলাদা। মাসিক প্যাকে একজন ডাক্তার: বেসিক ২, স্ট্যান্ডার্ড ৫, প্রিমিয়াম ১০টি চেম্বার।
যে ভাষায় চেম্বার চলে, সেই ভাষায় লিখুন। ডোজ বাংলায়ও হয়।
এই তালিকা পুরো ক্যাটালগ নয়, আর শুধু এই বিষয়গুলোর জন্যও নয়। নিচে কয়েকটা উদাহরণ। আপনার বিশেষত্বের জিনিস খুঁজুন। না পেলে নাম লিখে প্যাডে রাখুন, পরে আবার মিলবে।
নেবুলাইজার, মাস্ক, অ্যাসপিরেটর, থার্মোমিটার
প্রেগন্যান্সি টেস্ট, ন্যাপকিন, মেনস্ট্রুয়াল কাপ, ব্রেস্ট পাম্প
গ্লাভস, ক্যানুলা, গজ, সিরিঞ্জ, ইউরিন ব্যাগ
নি সাপোর্ট, সার্ভিক্যাল কলার, লাম্বার বেল্ট, ওয়াকিং স্টিক
মাসিক প্যাকে সেভ হওয়া প্রেসক্রিপশন গোনা হয়। যা ব্যবহার হয়নি, মাস শেষে নষ্ট হয় না। স্থায়ী লাইসেন্সে মাসের সংখ্যা ধরা হয় না।
৫০০ প্রেসক্রিপশন · ২ চেম্বার · প্রতি মাস
লগইন করে নিন১,০০০ প্রেসক্রিপশন · ৫ চেম্বার · প্রতি মাস
লগইন করে নিন২,০০০ প্রেসক্রিপশন · ১০ চেম্বার · প্রতি মাস
লগইন করে নিনমাসিক প্যাকে শুধু একজন ডাক্তার। নাম ও ডিগ্রি ৭০% মিললে সেই ডাক্তারের চেম্বার খোলা যায়। স্থায়ী লাইসেন্সে সর্বোচ্চ ৫ জন ডাক্তার ও ১০টি চেম্বার।
৫০০ কিনে ২০০ ব্যবহার করলে বাকি ৩০০ থেকে যায়। পরের মাসে আবার ৫০০ নিলে হাতে থাকে ৮০০। ঢাকার মাস ধরে গণনা। পেমেন্ট দেখে লাইসেন্স চালু হয়।
এক আইপি থেকে দুটি প্রেসক্রিপশন লেখা ও ছাপা যায়। ডেমোতে ছাপানো পাতায় UNPAID SOFTWARE লেখা থাকে।
ক্লিক করলেই ডেমো চেম্বার খুলবে।
ডেমো খুলুননিচের কথাগুলো নমুনা, যাতে দেখা যায় সফটওয়্যারটা কাজে কী দেয়। আসল চেম্বার নিজের নাম দিতে রাজি হলে সেই রিভিউ পরে বসবে।
রোগীর নাম, ঔষধ আর প্যাড এক স্ক্রিনে থাকে। সার্চে গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম দেখা যায়। ছাপায় শুধু যা রোগীর হাতে যাওয়া দরকার।
সিরাপ, ড্রপ আর নেবুলাইজার এক সার্চে পাওয়া যায়। ডোজ বাংলায় লেখা যায়, আর ছাপা এক পাতায় হয়।
এক অ্যাকাউন্টে আলাদা প্যাড রাখা যায়। নিজের PDF বসালে লেখা সেই প্যাডের ওপর বসে।
এগুলো নমুনা রিভিউ। কোনো আসল চেম্বারের নাম বা লোগো এখানে বসানো হয়নি।
চেম্বারে প্রেসক্রিপশন লেখা, সেভ করা, পরে খোলা এবং এক পাতায় ছাপার কাজ। এটি রোগ ধরে না এবং নিজে থেকে ঔষধ বলে না। লেখেন ডাক্তার।
হ্যাঁ। ডোজ বাংলায় লেখা যায়: সকাল–দুপুর–রাত, কয়েক ঘণ্টা পর পর, দিনে কতবার, বা শিরায় কত ফোঁটা। বাংলিশ লিখলে বাংলা হয়। ইংরেজি বাছলে লেখার ভাষা ইংরেজি।
প্রতি চেম্বারের প্যাড আলাদা। ছাপানো প্যাডের PDF বা ছবি আপলোড করলে লেখা তার ওপর বসে। উপরে, ডানে, নিচে ও বামে মার্জিন মিলিমিটারে ঠিক করা যায়। ছাপা এক পাতা A4।
সার্চে নামের সাথে গ্রুপ, কোম্পানি ও দাম দেখা যায়, যাতে সঠিক ঔষধ বাছা যায়। ছাপানো প্যাডে এগুলো বন্ধ থাকে। যে চেম্বারে দরকার, শুধু সেখানে চালু করা যায়।
সেভ করলে একটি আইডি হয়, যেমন 0042। পরে নাম, মোবাইল বা এই আইডি দিয়ে খুঁজে খোলা ও বদলানো যায়। মোবাইল শুধু খোঁজার জন্য, ছাপায় যায় না।
ফোন, ট্যাব ও ল্যাপটপে একই পাতা সাজে। ছোট স্ক্রিনেও রোগী, ঔষধ ও প্যাডের জায়গা থাকে।
বেসিক ৫০০ প্রেসক্রিপশন ৳১,০০০ ও ২টি চেম্বার। স্ট্যান্ডার্ড ১,০০০ প্রেসক্রিপশন ৳২,০০০ ও ৫টি চেম্বার। প্রিমিয়াম ২,০০০ প্রেসক্রিপশন ৳৩,০০০ ও ১০টি চেম্বার। মাসিক প্যাকে একজন ডাক্তার, নাম ও ডিগ্রি ৭০% মিলতে হবে। স্থায়ী লাইসেন্সে সর্বোচ্চ ৫ জন ডাক্তার ও ১০টি চেম্বার। স্থায়ী দাম ডেমোতে জানতে হয়।
না। ৫০০ কিনে ২০০ ব্যবহার করলে ৩০০ থেকে যায়। পরের মাসে নতুন ৫০০ কিনলে মোট ৮০০ ব্যবহার করা যায়।
নাম, শক্তি ও ডোজ নিজে লিখে প্যাডে বসান। সেটি থেকে যায়, পরে আবার পাওয়া যায়। ক্যাটালগে প্রায় ৭২ হাজার ঔষধ ও সাপ্লাই আছে।
এক আইপি থেকে দুটি। দুটিই ছাপা যায়। ডেমোতে ছাপালে পাতায় UNPAID SOFTWARE লেখা থাকে।
সফটওয়্যারের দামের সাথে ডোমেইন ও হোস্টিং মেশানো নেই। নিজেরটা ব্যবহার করতে পারেন, অথবা ভাড়া নিতে পারেন।
আজ, সপ্তাহ, মাস ও বছরের প্রেসক্রিপশন। নতুন রোগী ও পুরোনো রোগী আলাদা। যে ঔষধ, যে কোম্পানি ও যে টেস্ট বেশি লেখা হয়েছে, সেই তালিকা। হিসাব ঢাকার সময় ধরে।
হ্যাঁ। প্রতিদিন যে প্রেসক্রিপশন সেভ হয়, সেখান থেকে অভিযোগ, ইতিহাস, রোগ, টেস্ট ও পরামর্শ মনে থাকে। একই অভিযোগে একই ঔষধ আবার সেভ হলে সেটিও সাজেশনে আসে। রোগ ধরে না। ক্লিক না করলে প্যাডে কিছু বসে না।
না। সাজেশন আপনার আগের লেখা থেকে। আপনি ক্লিক করলে তবে লাইন বা ঔষধ প্যাডে বসে।
হ্যাঁ। যা সেভ করেন বা ফিল্ড ছেড়ে যান, সেই লাইন থেকে যায়। পরে ক্লিক করলে নিজের লাইন দেখায়। দুই অক্ষর লিখলে মিল আসে। ক্লিক না করলে প্রেসক্রিপশনে বসে না।
রোগীর মোবাইল বা ইমেইল দিয়ে JPG বা PDF পাঠানো যায়। ফোনে শেয়ার শিট থেকে ফাইল যুক্ত হয়। কম্পিউটারে ফাইল ডাউনলোড হয়, তারপর চ্যাট বা মেইলে সেই ফাইল যুক্ত করতে হয়।
PNG বা JPEG তোলা যায়। স্বচ্ছ PNG স্বচ্ছ থাকে। বাম, উপর ও প্রস্থ মিলিমিটারে দেওয়া যায়, অথবা প্রিভিউতে টেনে বসানো যায়।
পেমেন্টের নম্বর লগইনের ভেতরে। মেইল designportbd@gmail.com। অ্যাকাউন্ট খুলতে মোবাইল লাগবে, লাইসেন্স সেই নম্বরে থাকবে।